ছবি সংগৃহিত
জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদক, বিডি—অনলাইন ম্যাগাজিন
,Published. Tue, Aug, 12, 2025, 2,40,am
অনেক পত্রিকায় হেটলাইন নিউজ করে চাঁদাবাজি নিয়ে বিকেলে লাইভ, রাতে সাংবাদিক কে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, অতিরঞ্জিত করে সংবাদ করেন। সংবাদ কিছু অংশ তুলে ধরা হল
তুহিনের সহকর্মীরা জানান, হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি চান্দনা চৌরাস্তার ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজি নিয়ে একটি ফেসবুক লাইভ করেন। এরপর সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আরও একটি ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে রাস্তার অব্যবস্থাপনার বিষয়ে মন্তব্য করেন। এধরনের সংবাদ পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে মন্তব্য করে, বিএনপি দলের নেতাদের চাঁদাবাজি সংবাদ প্রচার করা কারণে সাংবাদিক তুহিন কে হত্যা করেছে। বিএনপি জনপ্রিয়তা নষ্ট করা জন্য উদ্দেশ্য মুলুক এধরণের নিউজ করেন। সাংবাদিক তুহিন যে কারণে হত্যা হয়েছে সত্য ঘটনা তুলে ধরা হল, বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে তুহিন মসজিদ মার্কেটের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছেন, বাদশা নামের এক ব্যক্তি ব্যাংক থেকে ২৫ হাজার টাকা তুলে ফিরছিলেন। পথে অভিযুক্ত গোলাপী তাঁকে ফাঁদে ফেলে প্রতারণার (হানিট্র্যাপ) চেষ্টা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে বাদশা গোলাপীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরে আসতে চান। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা অন্য আসামিরা বাদশাকে কোপাতে শুরু করেন। প্রাণ বাঁচাতে বাদশা দৌড় দিলে ঘটনাটি পেশাগত দায়িত্বে ভিডিও করেন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের ভিডিওটি দেখে ফেলেন আসামিরা, তাঁরা তুহিনকে ভিডিওটি মুছে ফেলতে বলেন। কিন্তু তিনি রাজি হননি। একপর্যায়ে তাঁরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান। পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে
নিহত তুহিন দৈনিক ‘প্রতিদিনের কাগজ’ পত্রিকার গাজীপুর প্রতিনিধি ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামে। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বসবাস করতেন।