নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি—অনলাইন ম্যাগাজিন,Published. Thu.,Jan, 15., 2025, ., 2,38..PM
পুরান ঢাকার কৃতি সন্তান, তার রাজনীতি শুরু হয় ছাত্র রাজনীতি থেকে সম্ভবত ১৯৯৭ সালের সাবেক ৭১ নং ওয়ার্ড বর্তমান ৩৫ নং ওয়ার্ড ছাত্র দলের সভাপতি হোন। তার কোতোয়ালি থানার সভাপতি হোন, মহানগর দক্ষিণ সভাপতি হোন ছাত্র দলের, সাংগঠনিক সম্পাদক হোন কেন্দ্রীয় ছাত্র দলের, তার পর সাংগঠনিক সম্পাদক হোন কেন্দ্রীয় যুবদলের। তার পর কারাগার জীবন শুরু হয়, ১৭ বছর রাজপথে নির্যাতিত হয়েছেন।
দলের জন্য নির্যাতিত হয়েছে,,পরিবার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমি দলের নিবেদিত প্রাণ ছিলাম। দলের থেকে আমাকে মূল্যায়ন করা হয় নাই, করা হয়েছে হাইব্রিড নেতাদের।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা যখন চরমে, ঠিক সেই সময় বিএনপি মনোনয়ন তালিকা প্রকাশে দেখা গেছে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয় নাই।
আমি রাজপথে নির্যাতিত হয়েছি, গ্রেফতার হয়েছি।
আমার বিরুদ্ধে তিন চারশত রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। আমি যে কোন আন্দোলনের ছিলাম সামনে। কারাবরণ করেছি অসংখ্যবার তবু হাল ছাড়ি নাই।
দলের প্রধান তারেক জিয়া সাহেব বলে ছিল, নির্যাতTuত্যাগী কর্মীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে, আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয় নাই।
জুলাইয়ে আমি রাজপথে ছিলাম জীবন বাজি রেখে ছিলাম,আমার এক ছোট ভাই গুম হয়েছে। আমার এক আত্মীয় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে। ইসহাক সরকার বলেন, “আজ আমাকে ধানে’র শীষের বিপক্ষে দাঁড়াতে হচ্ছে,এটা কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা নয়, কোনো ক্ষমতার লোভও নয়। প্রতীক বদলাতে পারি কিন্তু আদর্শ বদলাতে পারব না।
আমি সেই রাজনীতি করি না, যেখানে অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করতে হয়। যেখানে ত্যাগী কর্মীদের বাদ দিয়ে সুবিধাবাদীদের জায়গা দেওয়া হয়। যেখানে সত্য বললে শাস্তি আর অন্যায় করলে পুরস্কার দেওয়া হয়।
লড়াই থামে না, কারণ এই লড়াই প্রতীকের নয় এই লড়াই ন্যায় ও অন্যায়ের।
আমি বিশ্বাস করি, আল্লাহ ন্যায়বিচার করেন এবং শেষ পর্যন্ত সত্যেরই বিজয় হয়।
আজ আমি একা হলেও ভয় পাই না, কারণ আমি অন্যায়ের কাছে কখনোই আপোষ করি না।

