বিডি—অনলাইন ম্যাগাজিন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, ,Published. Sun, ,Feb, 1. 2026., 2,56.am
আমি সরণ করছি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মত্যাগ স্মরণ করছি।
ফ্যাসিবাদ মত কোন সরকার জন্ম না হয়,এর জন্য গণভোট হাঁ ভোট প্রয়োজন, যে দল ক্ষমতা আসে, ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। রাজনীতিবিদ ও জনগণ পারবে গণভোটের হাঁ ভোট মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ বিষদাঁত ভেঙ্গে দিতে, আপনারা সকলে হাঁ ভোট দিয়ে ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে,রাজনীতিবিদের অনুরোধ করছি হাঁ ভোট প্রচার করা, ফ্যাসিবাদ মত দেশ ছেড়ে না পালাতে হয়। এই বিষয় নিচে বিস্তারিত আলোচনা করলাম।
তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই দেশে প্রথমবারের মতো গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে
গণভোট হয়া উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের জন্য যেমন –
বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন (সম্ভাব্য ১২ ফেব্রুয়ারি) রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়ে জনমত যাচাইয়ের জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হবে মূলত ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, যেমন- প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জনগণের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করতে এই গণভোটের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কারের বৈধতা: রাজনৈতিক দলগুলো যেন নিজেদের ইচ্ছামতো সংস্কার পরিবর্তন করতে না পারে, সেজন্য জনগণের সরাসরি মতামতের মাধ্যমে সংস্কারগুলোকে বৈধতা দেওয়া।
গণভোটের হাঁ ভোটের রাজনীতিবিদের ও জনগণের সহযোগী করতে হবে সরকার কে কারণ সংস্কার ও পরিবর্তন হাঁ ভোট বিজয় করতে হবে। এর জন্য সরকার হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জোরালো প্রচারণা চালাচ্ছে। সরকারি প্রচারে বলা হচ্ছে, হ্যাঁ ভোট দিলে দেশ পাবে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার ও পরিবর্তন।
যদি জনগণ ‘হ্যাঁ ভোট দেয়, তা হলে, জুলাই সনদে প্রস্তাবিত সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারসমূহ বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে, যার মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদে সীমা (সর্বোচ্চ ১০ বছর) এবং নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি অন্যতম এর মাধ্যমে সংবিধানে বড় ধরনের পরিবর্তন ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে,পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে: সংবিধান সংস্কার: জুলাই সনদে প্রস্তাবিত প্রায় ৩০টি সংস্কার প্রস্তাব, যার মধ্যে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্ত, তা কার্যকর হবে,
প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা হ্রাস: একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না,
সংসদীয় নিয়ন্ত্রণ: দুর্নীতিবাজ সংসদ সদস্যদের পদ বাতিল এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার বিধান চালু হতে পারে।
সংসদে প্রতিনিধিত্ব: বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সভাপতি নিয়োগ এবং সংসদে নারী সদস্যের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে
মৌলিক অধিকার: ইন্টারনেট সেবা বন্ধ না করাসহ নাগরিকের মৌলিক অধিকারের পরিধি বাড়বে,
মূলত, এই ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও অপশাসন রুখে দিয়ে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করা হচ্ছে।
‘না’ ভোট দিলে কি হবে?
গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার অর্থ হলো সরকার বা রাষ্ট্র কর্তৃক উত্থাপিত কোনো প্রস্তাব, যেমন—সংবিধানের সংশোধন বা বিশেষ কোনো আইন—সেটির বিরোধিতা করা। ‘না’ ভোট জয়ী হলে প্রস্তাবটি বাতিল বা পুনর্বিবেচনার মুখে পড়তে পারে, যা ওই সিদ্ধান্তের বিপরীতে জনগণের মতামতকে প্রতিফলিত করে।
না ভোট দিলে কোনো পরিবর্তন আসবে না—এমন বার্তাও প্রচার করা হচ্ছে।
গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার অর্থ হলো সরকার বা রাষ্ট্র কর্তৃক উত্থাপিত কোনো প্রস্তাব, যেমন—সংবিধানের সংশোধন বা বিশেষ কোনো আইন—সেটির বিরোধিতা করা। ‘না’ ভোট জয়ী হলে প্রস্তাবটি বাতিল বা পুনর্বিবেচনার মুখে পড়তে পারে, যা ওই সিদ্ধান্তের বিপরীতে জনগণের মতামতকে প্রতিফলিত করে।
না ভোট দিলে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান: সরকারের প্রস্তাবিত পরিবর্তন বা নতুন আইন (যেমন- জুলাই সনদ) কার্যকর হবে না, যদি ‘না’ ভোটের সংখ্যা বেশি হয়,
গণতান্ত্রিক মতামত: এটি একটি নেতিবাচক বা প্রতিবাদী ভোট হিসেবে গণ্য হয়, যা সরকার বা কর্তৃপক্ষকে জনগণের অসন্তোষ সম্পর্কে সংকেত দেয়।
হাইব্রিড নো ভোট (বিশেষ ক্ষেত্রে): যদি নির্দিষ্ট আসনে কোনো বৈধ প্রার্থী না থাকে এবং সেখানে ‘না’ ভোট বা কোনো প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকে, তবে তা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।
আইনত কোনো সরাসরি দণ্ড নেই: বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে ভোট না দিলে বা ‘না’ ভোট দিলে কোনো জরিমানার বিধান নেই,
সংক্ষেপে, ‘না’ ভোট হলো একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাবের বিরুদ্ধে জনমত প্রকাশ করা, যার ফলে সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবটি সংশোধিত বা বাতিল হতে পারে।

